
কেন আমরা ১০০০ওয়াটের ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করছি?
বেশিরভাগ শিল্পোৎপাদনমূলক ওভেনগুলোই একইভাবে কাজ করে—অর্থাৎ, সেগুলোতে পুরানো ধরনের রেজিস্টিভ হিটিং ওয়্যার ব্যবহৃত হয়। এই ওয়্যারগুলো বাতাসকে উত্তপ্ত করে; আর তারপর সেই উত্তপ্ত বাতাসই খাবারকে গরম করে। এটা খুবই ধীর ও অকার্যকর প্রক্রিয়া।
আমরা ভিন্নভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা ১০০০ওয়াটের ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করছি।
এর পার্থক্যটা হলো: ইনফ্রারেড রেডিয়েশন বাতাসকে ব্যবহার করে না; বরং সরাসরি খাবারের মধ্যে শক্তি পাঠায়।
এটা খুবই দ্রুত।
ওভেনের প্রতিটি অংশকে উত্তপ্ত করার জন্য শক্তি নষ্ট করার পরিবর্তে, এই ল্যাম্পগুলো স্বল্প-তরঙ্গ বা মধ্যম-তরঙ্গ রেডিয়েশন ব্যবহার করে খাবারের ভিতরে শক্তি পাঠায়। আপনাকে আর ওভেনটি উত্তপ্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।
এখন, চলুন ল্যাম্পগুলো সম্পর্কে জানি।
আমরা এই ল্যাম্পগুলো উচ্চ-গুণমানের কোয়ার্টজ কাঁচ দিয়ে তৈরি করি। কেন? কারণ এত দ্রুত তাপ উৎপন্ন করার জন্য এমন কিছু দরকার, যা চাপের কারণে ভেঙে না যায়। ১০০০ওয়াটের শক্তি আপনাকে প্রয়োজনীয় তাপ সরবরাহ করে। আর এগুলো আপনার বর্তমান ওভেন সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করে; তাই আপনাকে পুরানো হিটিং ব্লকগুলো পুরোপুরি খুলে ফেলার দরকার নেই।
কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন…
ইনফ্রারেড তাপ খুবই তীব্র। যদি আপনার ভেন্টিলেশন সিস্টেম এই ধরনের তীব্র তাপ সামলাতে না পারে, তাহলে সমস্যা হতে পারে। খাবারটি পুড়ে যেতে পারে; অথবা ওভেনটির নিজস্ব কাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা এড়াতে ল্যাম্পগুলোর অবস্থান ঠিকভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।
কিন্তু সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো… আপনার বিদ্যুৎ বিল!
যখন আপনি ওভেনের দেয়ালগুলোকে “উত্তপ্ত” করার জন্য ২০ মিনিট সময় ব্যয় না করেন, তখন আপনি অনেক শক্তি সাশ্রয় করেন। শক্তিটা সরাসরি খাবারে যায়। প্রতি ব্যাচে আপনি কম কিলোওয়াট-ঘন্টা ব্যবহার করেন।
নিশ্চয়ই, ল্যাম্পগুলোর দাম ওয়্যারের তুলনায় একটু বেশি। কিন্তু মাসিক বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং কাজের গতি বিবেচনা করলে এটা অবশ্যই লাভজনক।